Skip to main content

Posts

24th April, 2012

নিরাকারে সাধি তোমা, ওগো অধরা নাহি চাহি আজি ভুলে লাজ, তোমার দয়ার ক্ষমা । ক্ষেদ বঞ্চিত, কুণ্ঠ দ্বার আসীন হোক হৃদ তব উদার । আনত করি শির, আশিসে নামি অবগাহন স্নেহময়, প্রদেয় দামী । পরিচয় আখ্যা প্রদানিক, পদাতিক তার ধূসর পরিধান, যামিনী ভেদী পথ ভ্রষ্ট তুমি পথিক আমি সজ্জিত শব্দ মালা কেবল, -- আমি স্বরচিতের অনুবাদন...।।

23rd April, 2012

আধ চোখ জাগা স্বপ্ন গুলোর ঠোঁটে তার ডাক, মলিন চাদর; ঘুম ছড়ানো তার ঘাম গায়ে এক ফোঁটা আবেগের গরাগরিময়, সুতর বুনটে জরাজরি করে একটি শরীর আকুতিতে মরে, কারাগার হয়ে যায় যেন সব জানালার গায়ে রোদের কলরব, দশ বাই দশ, ছোট্ট খাতার খুন জখমের, হিসেবের ভার কখনো দরজা সেঁটে দেয় কিছু কুরিয়ারে আসে নীল কালি পিছু, আরও দূর দুহাত এগলেই পরে মুক্ত আকাশ জড়িয়ে ধরে আত্মহত্যা কয় লোকে যারে, আমার জীবন, আর আমার আমি ---- ওরা থাকে ওধারে.........।।

বিভাজক দ্বিচারিতা...... 18TH APRIL, 2012

বিভাজক দ্বিচারিতা...... মেঘ বালি ধূলিকণার বিবিধ আঘাতে আকাশকুসুমের বুনিয়াদ, আমি রাজত্বের বিলাসিতার আলগোছে ভাগ্যলেখক; পাথেয় শূন্য, ফিরি পথে পথে ভাঙন-রোধের অন্তিম স্বপ্নেতে । জানি সে বিভাজ্য, নিজের নিয়ন্তা তবু প্রাচীনের চুম্বন খোঁজে অহমিকা । স্থির শান্ত নির্বিকার স্বেদ-ক্ষরণ, জানান হবে যাওয়ার পথের ললাটিকা ; আমার নিঃস্ব প্রাণে সঞ্চয়হীন ক্রোধ, দ্বারের উপর নিখোঁজ আমার দায়, ভালোবাসা ভাজকের সাথে অঙ্ক কষে তবু ---- ---- ভাগশেষের ভুলে উত্তর অবহেলা হয়...।। -- অরিজিৎ নন্দী ( ১৮ই এপ্রিল, ২০১২ )

স্বচ্ছ যবনিকা......... 16TH APRIL, 2012

স্বচ্ছ যবনিকা......... যদি অগোছালোই রাখার হত, রাখতাম কেন, বিস্মৃতি তো অনেক সহজ আবেগ ছিল, সেখানে প্রতিনিয়ত, সাজানো নৈবেদ্যর টুকরো গুলোয়, পচনের কান্না হয়ও না । যেখানে বিশ্বাসের গরাদখানায় একবার পারদের মত বিষ হয়ে ঢুকেছিলে, সেখানে আজও শ্মশানের চিহ্ন আঁকতে না পারার আমার অক্ষমতাটাই আজ ভীষণ দৃষ্টিকটু, কারণ তুমি ভিন্ন, তোমার ধারনা আজ স্বয়ম্বর সভায় বিকনোর অপেক্ষায় দাম গুনছে, ভাগ বাটোয়ারা খেলতে খেলতে ক্লান্তিহীন দুটো লাল চোখের দুর্বোধ্যতা তোমায় দূর করছে ; হারিয়ে নিয়ে চলছে ; আমার সাদামাঠা গরীব জীবনে তোমার এই অভিনয় একবার পরদা নামিয়েছে, বলতে পাও, যবনিকা আজ সত্যি উধাও?? তবে বানাতে কেন বল আবেগ, কেন বল আবেগ গুলো কুড়িয়ে এনে সাজাতে ?? পারবে তার মাঝে তুমি, আসীন হতে ?? আমার রচনা দীর্ঘ হোক, তুমি হও স্বচ্ছ ; আমার জেগে ওঠা প্রশ্ন গুলোর উত্তর হয়ওনা, হও একাত্ম, আমার মৃত্যুর পড়ে যেন, আমি লিখে যেতে পারি, তুমি সেদিন, বাকি সবার ভাগের মাঝে, শুধু আমারই ছিলে .........।। - অরিজিৎ নন্দী ( ১৬ই এপ্রিল, ২০১২ )

9th April, 2012

একটা উলটানো ভাতের হাঁড়িতে, মুখ বারিয়ে অনাহার খোঁজে - "শরম", ক্ষুধার লজ্জা তখন শব্দ ছাড়া আকাশকুসুমের তৃতীয় নয়ন, যে শাসায়, পক্ষপাত করে; দুষ্ট পাকস্থলীর ষড়যন্ত্র কে রঙ দিয়ে বলে, তোর কবিতা না পায় পাক, আমার হিংসে তবু পায়, তোর রক্তের কিছু হিমোগ্লোবিনে পুড়তে গিয়েও পুড়তে পারিনি, বারবার কষ্ট গুলো আমায় ঠেলেছে, কবিতা নামক অস্ত্র শানে, আর আমায় চূর্ণ বিচূর্ণ করেছে; আমি লজ্জা হয়ে এসেছিলাম, আমায় অলীক দেশে ছুঁড়েছে, একটু তো রক্ত চেয়েছিলাম, আমার কবিতা, চোখ রাঙিয়েছে......।।

5th April, 2012

ক্ষুধাতুরের চিৎকার তোমার পূর্ণ থালার আশেপাশে ঘুরছে নাগাল না পাওয়া সেদ্ধ ভ্রূণেরা, জরায়ুর দেওয়ালে আঘাতে ব্যাস্ত, আর ওপাশের কিছু অট্টহাসি, ব্যাঙ্গ গায়ে জড়িয়ে আগুন লাগাচ্ছে, হাসতে চাওয়া দুপাটি দাঁতে ।। শরীর দুভাগ, মনের নেশা বিপদ দেখার, পায়ের পালানোয় মগজের কিছু চিত্রপট, শুখনো এখন, রক্তে মাখবে রঙ ।। কেন শুধু বেছে বেছে ওপরেরই পথ খুঁজে আরও সিঁড়ি ভাঙ্গা ?? একদিন যদি পৌঁছাই তোমাদেরও ওপরে, নিজেই ভাঙবো, ফাটলের নামে সাজানো জীবনের এখানে ওখানে সেঁটে দেওয়া কেচ্ছা, ঝাঁপ দেব ------------------------------ ------------- পরবর্তী ঘোষণা মৃত্যু-বিরতির পর............।।

2nd April, 2012

বাষ্প জমতে জমতে যখন গলার কাছে ধাক্কা দিল, জানান দিল লাল বাতির সময়, হাতে কিছুমাত্র লাশ, পুরিয়ে ফেলার আগে তার রক্ত দিতে পার কি আমায় ধার ?? মৃত্যু কঠিন, আবেগ সীমাহীন, দুই ঠগ; আমি চাই, নিরাকার অবয়ব । দায়িত্ব তোমার, আমি ভোগ্য, তুমি উপভোক্তা, কেমন করে কালবৈশাখী আসে, আমি জানি তো না, আমি দেখি কেবল, তুমি ছোঁও তাকে, রঙ তুলির ফাঁকে আমার কেটে নেওয়া দুহাতে । আমি ক্রীতদাস, শরীর কেবল রয়েছে হয়ে আবাস ; আমার আত্মার প্রতিস্থাপন তবেই পাবে, যেদিন সাদা রঙ, তোমার উপড়ানো বুকের কামুক স্তম্ভে বিপদ চিহ্ন আঁকবে ......।।